জেনে নিন ফ্রিল্যাসিং এবং আউটসোর্সিং কি? নতুনদের জন্য উপকারি একটি আর্টিকেল ।

আমরা ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং নিয়ে একটি বিশাল ব্যাখা প্রধান করেছি নতুনদের জন্য। একবার হলেও পড়ে নিন।

 

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি

ফ্রিল্যান্সিং কি?

ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) বলতে মূলত আমরা বুঝে থাকে ইন্টানেটে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করা। বিস্তারিত ভাবে বলতে গেলে, ফ্রিল্যান্সিং হল একটি চুক্তিভিত্তিক পেশা যেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়ার পরিবর্তে, ব্যক্তি তার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে বেশ কিছু ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করেন।

সহজ কথায়, ফ্রিল্যান্সিং হল যখন আপনি একাধিক ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করার জন্য আপনার দক্ষতা, শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা ব্যবহার করেন এবং একক নিয়োগকর্তার কাছে প্রতিশ্রুতি না দিয়ে বিভিন্ন অ্যাসাইনমেন্ট গ্রহণ করেন। আপনি যে অ্যাসাইনমেন্ট বা কাজগুলি নিতে পারেন তার সংখ্যা তাদের কাছ থেকে চাওয়া অনুযায়ী সেগুলি সরবরাহ করার আপনার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে।

বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং একটি জন প্রিয় সেবা। ইন্টানেটের কারণে খুব সহজেই বিভিন্ন কাজ বিশ্বের যেকোন প্রান্তের থেকে খুব সহজে পৃথিবী অন্য কোন প্রান্তের দক্ষ লোক দ্বারা সম্পর্ণ হচ্ছে।

ফ্রিল্যান্সিং এত জনপ্রিয় হবার অন্যতম কারণ হচ্ছে এর কাজ ফ্রিল্যান্সার তার নিজের ইচ্ছে সময় মত করতে পারে। এমন অনেক ফ্রিল্যান্সার পাওয়া যাবে যারা তাদের প্রতিষ্ঠানিক কাজের অবসর সময় করে অতিরিক্ত আয় করছে।

আউটসোর্সিং কি?

যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে দেন, তাঁদের ফ্রিল্যান্সার বলে। আউটসোর্সিং অনেক ভাবেই হতে পারে। আমরা সাধারনত ভেবে থাকি যারা ইন্টারনেটে কাজ করে থাকে তাইলেই ফ্রিল্যান্সার। ইন্টানেরের বাহিরেও আউটসোর্স এবং ফ্রিল্যাসিং হতে পারে। অনেই এই সব কাজকে লোকাল কাজ মনে করে থাকে।

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি

আপনি যদি কোন কাজ কোন ব্যক্তির বা প্রতিষ্টানের জন্য করে দেন, এবং আপনি ওই প্রতিষ্টানের নিদিষ্ট কোন কর্ম নন তাহলেই আপনি ফ্রিল্যান্সার। আপনার থেকে ওই প্রতিষ্টান কাজ গুলো আউটসোর্স করছে।

এখানে কাজ বিভিন্ন ধরনেই হতে পারেন। আমাদের মধ্যে একটি ভুল ধারনা আছে যে শুধু অনলাইনেই ফ্রিল্যান্সিং করা যাই। বাস্তবে, প্রায় সব সেক্টরেই এই আবদান বাড়ছে। কারণ এইটি কম খরচে কাজ সম্পর্ন করতে সাহায্য করে থাকে।

আরো সহজ করে বলতে গেলে,

যখন কেউ কোন কাজ অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্টান থেকে করিয়ে নেই তখন তা আউটসোর্স করা বল হয়।

আর যখন কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তি কাজ করে দেয় তখন তাকে ফ্রিল্যান্সার বলা হয়।

অফলাইন অথবা অনলাইন দুই ভাবেই এইটি হতে পারে।

আউটসোর্সিং কিভাবে শিখব?

আপনি যদি অনলাইন আয় করার কথা ভেবে থাকেন তাহলে আপনি কোন নিদিষ্ট কাজের মাধ্যেমে আয় করতে পারেন। আপনি চাইলেই অনলাইন বিজনেস করতে পারেন যেখানে আপনার কম্পিউটারের কোন সফটওয়্যারের উপর কোন দক্ষতাও না থাকলেই চলবে।

আবার চাইলেই আপনি বিভিন্ন কাজের দক্ষতা অর্জন করে বিভিন্ন ক্লাইন্টের কাজ করেও আয় করতে পারেন। কিন্তু এখানে আপনাকে কোন কাজের উপর ভালো দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

বর্তমানে কিছু সরকারি প্রতিষ্টান আছে যা বিভিন্ন কাজের শিক্ষা প্রদান করে থাকে। তার সাথে তো বিভিন্ন প্রাইভেট প্রতিষ্টান আছেই।

কিছু অনলাইন সাইট আছে যারা বিভিন্ন কোর্স বিক্রয় করে থাকে। ওই সব কোর্স গুলো খুবি সংগঠিত হইয়ে থাকে। ষ্টুডেন্টের কোন সমস্যা সমাধানও প্রধান করা হয়। যা নতুন ষ্টুডেন্টের জন্য খুবি উপকারি কারন নতুন অবস্তাই অনেক কিছুই বুজতে সমস্যা হতে পারে।

এমন কিছু সাইট

আমাদের দেশেও কিছু প্রতিষ্টান আছে যা অনলাইন কোর্স প্রধান করে থাকে।

শিখতে গেয়ে যেই সমস্যার মধ্যে সব থেকে বেশি পরে নতুনরা

এই সব প্রতিষ্টান ছাড়াও YouTube, Facebook এবং অন্যন্যা মাধ্যমে অনেক ফ্রী সোর্স পাওয়া যায়। এই সব সোর্স থেকে অনেক কিছুই শিখা যাই। কিন্তু বেশির ভাগ সময় এই সব সোর্স গুলো পূর্ণাঙ্গ হয়ে থাকে না।

সব থেকে বেশি সমস্যা হলো যে শিখছে, সে যদি কোন সমস্যার মুখোমুখি হয় তখন কোন সমাধান পেয়ে থাকে না যা তার শিখার মন বল নষ্ট করে দেই।

তা ছাড়া অনেক বেশি ফ্রী সোর্স থাকার কারণে দেখা যাই বেশির ভাগ সময় শিখার প্রতি উদাসীনতা দেখা যাই।

আবার ইন্টানেশনার প্রতিষ্টান গুলো পেমেন্ট নিয়েও অনেকে সমস্যা মধ্যে পরে থাকে।

দেশের কোন প্রতিষ্টান হতে কোর্স কিনার আগে অবশ্যই ভালোভাবে দেখে শুনে তার পর আগাবেন কেননা অনেক বেশি প্রতারণা বৃদ্ধি পেয়েছে আমাদের আশেপাশে। 

Read More: What is Thesis paper?

আউটসোর্সিং এর ওয়েবসাইট

কিছু সাইট আছে যেখানে আপনি কোন একটি বা একাধিক কাজ নিয়ে করতে পারবেন আবার কিছু সাইট আছে যেখানে আপনি দেশের বাহিরে থাকা প্রতিষ্টানে কর্মচারী হিসেবেও কাজ করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোতে আপনার কোন একটি কাজের দক্ষতার উপর ভিত্তি করে ওই কাজের জন্য ফ্রিল্যান্সার খুজতে থাকা কোন লোক বা প্রতিষ্টানের হয়ে কাজ করে দিতে পারেন। এই সব সাইট মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে। এই সব সাইট গুলো যারা কাজ করারনোর জন্য লোক খুজছে এবং যারা কাজ করার জন্য সুযোগ খুজছে তাদের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি করে থাকে।

আর যে সাইটের মাধ্যমে আপনি বিভিন প্রতিষ্টানে কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ হতে পারবেন সেই সব সাইট সাধারনত কর্মসংস্থান ওয়েবসাইট (employment website) বলা হয়ে থাকে। ২০২০ এর এপ্রিল মাসের পর থেকে সারা বিশ্বের প্রায় সব প্রতিষ্টান তাদের কর্মচারী ওয়াক ফর্ম হোম করেছে। যার ফলে রিমোর্ট ওয়ার্কের একটি বিশাল মার্কেট তেরি হয়েছে।

রিমোর্ট ওয়ার্কার হল তারা যারা কোন প্রতিষ্টারে কর্মচারী, কিন্তু তারা তাদের অফিসে যেয়ে কাজ করে না। বর্তমানে এই রিমোর্ট ওয়ার্কার এর জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্টান পুরো পৃথিবী থেকে লোক সংগ্রহ করে থাকে।

ফ্রিল্যান্সার সাইট নিয়ে বিস্তারিত পড়তে এই পোষ্টে চলে যান

আউটসোর্সিং ওয়াবেসাইট

আউটসোর্সিং কিভাবে শুরু করব

আপনি যদি নতুন হয়ে থাকে তাহলে প্রথমে কোন কাজের উপর দক্ষতা অজন করুন।

প্রথমে আপনারকে একটি পৌফাইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। সব সময় একটি সৃজনশীল এবং নান্দনিক শিরোনাম নিবাচন করবেন।

একটি পৌফাইল পিক দিবে যাতে আপনার ছবি ভালোভাবে বুঝা যায় এবং যতটা সম্ভব পৌফেশলান রাখার চেষ্টা করবেন।

আপনার পৌফাইলের “Description” সুন্দর, এবং সৃজনশীল রাখবেন। অন্য কারো পৌফাইল থেকে কপি না করাই ভালো।

আপনার পোটফলিও খুছিয়ে রাখবেন

কেননা এই সব আপনার সম্পর্কে আপনার ক্লাইন্টকে প্রথম Impression দেয়। ইংরেজি ভাষায় একটি কথা আছে তা হল 

“First impressions are crucial. They can make or break an opportunity”

তাই পৌফাইল সব সময় খুব যত্ন সহকারে বানাবেন

আউটসোর্সিং এ শীর্ষ দেশ কোনটি

আউটসোসিং বর্তমান বিশ্বের একটি জনপ্রিয় অর্থ আয়ের মাধ্যেম হয়েছে। বর্তমান সময়ে অনেক উন্নত দেশের নাগরিকরাও এই সেক্টরে আগ্রহ প্রকাশ করছে। এই প্রধান কারণ হচ্ছে কাজের সময় নমনীয়তা। যে কেউ তার নিজের খুশি মত সময় কাজ করে খুব সহজেই অর্থ আয় করতে পারছে।

কিন্তু আউটসোর্সি করা লোকের সংখ্যা এশিয়ার দেশ গুলোতেই বেশি। আমরা টপ কিছু দেশের নাম প্রকাশ করছি।

এই সম্পর্কে আরো জানতে চাইলেই এখানে ক্লিককরুন

  • India
  • Bangladesh
  • United States
  • Pakistan
  • Philippines
  • United Kingdom
  • Ukraine
  • Canada
  • Romania
  • Egypt
  • Germany
  • Russia
  • Kenya
  • Nigeria
  • Italy
  • Spain
  • Sri Lanka
  • Serbia
  • Ireland
  • Macedonia

মোবাইলে আউটসোর্সিং

মোবাইলেই আউটসোসিং করাটা একটু কষ্টকর কিন্তু অসম্ভব এমন কিন্তু না। আপনি চাইলেই Social Media Marketing, Influencer Marketing, Voice Over, Songwriters এর মত কাজ গুলো খুব সহজেই করতে পারেন। এই সব কাজের বাহিরেও অনেক কাজ আছে যা আপনি করতে পারেন। আপনি চাইলেই বিভিন্ন আউটসোসিং সাইট থেকে অনুসন্ধান করতে পারেন। আপনি হয়তো আরো ভালো কোন কাজ পাবেন যা মোবাইলেই করা সহজ।

আউটসোসিং ছাড়াও আপনি চাইলে অন্য মাধ্যমেও মোবাইল থেকে আয় করতে পারেন। এই নিয়ে আমাদের একটি আর্টিকেল আছে চাইলেই পড়তে পারেন।

অনলাইন বিজনেস কি এবং কি ভাবে করবেন অনলাইন বিজনেস

কি কি কাজ দ্বারা ফ্রীল্যাসিং করা যায়?

 এমন অনেক কাজ আছে যার দিয়ে আমি প্রতি মাসে কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারেন। যেই কাজে আপনি দক্ষ যেই কাজ দিয়েই ফ্রীল্যান্সিং করা যায়। আমাদের দেশের বেশির ভাগ নতুন ফ্রীল্যান্সারা স্বাধারনত গ্রাফিক্স ডিজাইন আর সোসাইল মিডিয়া মার্কেটিং নিয়ে কাজ করতে চায়।

এই দুইটি খুবি ভালো সেক্টর কাজের জন্য এবং এই সেক্টর গুলোতে অনেক বেশি টাকা থাকে। যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইনের মধ্যে কোন কাজ করতে অনেক নিচ্ছে $5-$10 আবার যেই একই কাজ করতে অন্য একজন নিচ্ছে $100। এইটা নির্ভর করে আপনার অভিগতার উপর। নতুন অবস্তায় আপনি এই পরিমান অর্থ পাবেন না। যত বেশি অভিগতা বাড়বে তত বেশি অর্থ বাড়বে।

সব ধরনের কাজেই চাহিদা আছে মার্কেটে। অনেকই দেখবেন ফাইবারের মত সাইটে আডভাইস সার্ভিস দিয়ে থাকে। যেমনঃ আইনি পরামর্শ, পার্সনাল আসিস্টেন্স, ব্যবসায়ী পরামর্শ, লোন বিষয়ক পরামর্শ দিয়ে অর্থ উপার্জন করছে।

এর দ্বারা এইটাই প্রমানিত হয় যে, আপনি যেকোন ধরনের সার্ভিস দিতে পারবেন যদি আপনি সঠিক উপায় কাজ করতে থাকেন।

কোন কাজটি শিক্ষা উচিত্র ২০২২-২০৩০ এর জন্য?

বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আপনাকে কোন না কোন কাজের উপর দক্ষ হতে হবে। আপনি যেকোন কাজ শিক্ষতে পারে এইটা পুরোপুরি আপনার ইচ্ছের উপর নির্ভর করে। তার পরও যদি আপনার বুজতে বা খুজতে অসুবিধা হয়ে থাকে তাহলে এই পোষ্টটি পড়তে থাকুন।

১. Coding/কোডিংঃ 

কম্পিউটার কোডিং এখন অনেক বেশি জনপ্রিয় এবং অতি জরুরি একটি বিষয়। কোডিং করতে পারা নিজের থেকেই একটি বড় বিষয়। এই মার্কেট সাইজ প্রতি নিয়তেও বাড়ছে। এই চাহিদা ভবিষ্যতে বৃদ্ধি পাবে বর্তমানের থেকেও বেশি।

কোডিং করতে বা শিক্ষতে হলে অনেক উপায় আছে। আপনি চাইলেই কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী অর্জন করে নিতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয় গুলো আপনাকে সকল ধরনের কোডিং ল্যাগুয়েজ এর উপর শিক্ষা প্রদান করবে। যা আপনি ৪ বছর মেয়াদে শিখতে পারবেন।

আবার আপনি চাইলেই বিভিন্ন মাধ্যম থেকে এইটি শিখতে পারেন। আমাদের দেশে বেশি কিছু অনলাইন কোর্স সাইট হয়েছে যারা অতি অল্প খরচে আপনাকে বিভিন্ন কোড শিখে দিবে।

২. Video Editing /ভিডিও এডিটিংঃ 

বর্তমান বিশ্বে ভিডিও এডিটিং এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমান সময় বেশির ভাগ কোম্পানি, ছোট-বড় বিজনেজ, অনলাইন বিজনেজ সবাই এখন তাদের সকল ধরনের বিজ্ঞাপন ভিডিও মাধ্যমে করে থাকে।

ভিডিও সাধারনত বেশি মানুষের কাছে পোছাতে পারে। তার সাথে বর্তমানে ফেসবুক, ইউটিউব এর জনপ্রিয়তা আকাশ চুম্বি। এই দুইটি সাইটেই ভিডিও জন্য তাদের মার্কেট ধরে রেখেছে।

ভিডিও এডিটিং শিক্ষার অনেক মাধ্যমেই রয়েছে। আপনি চাইলেই পেইড বা ফ্রী তে শিখে নিতে পারেন। ভালো কোন রেজাল্ট পেতে চাইলে আপরা আপনাকে বলবো কোন ভাল পেইড কোর্স দ্বারা শিখে নিতে।

ভিডিও এডিটিং এর অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই কাজের জন্য আপনাকে ভালোমানের একটি কম্পিউটার প্রয়োজন হবে। ভালো প্রসেসর, SSD, Graphics Card সহ একটি কম্পিউটার প্রয়োজন হবে।

ভিডিও এডিটিং সফটওয়ার সমূহ, Adobe Premiere Pro, Adobe After Effect, DaVinci Resolve ইত্যাদি

৩. 3D Design/3D ডিজাইনঃ 

এইটি একটি বিশাল একটি সেক্টর। আপনি যদি ভালোভাবে কাজ শিখতে পারেন তাহলে আপনি অনেক দূর পযন্ত যেতে পারবে এই কাজ দ্বারা। বর্তমান সময়ে বেশির ভাগ ডিজিটার বিজ্ঞাপন গুলো মৌশন গ্রাফিক্স হয়ে থাকে (2D Motion Graphics) বা 3D Motion Graphics । আবার বিভিন্ন VFX এর কাজের 3D ডিজাইনাদের অনেক চাহিদা এবং যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

3D ডিজাইন করতেও আপনাকে অনেক ভালো কম্পিউটার দরকার পরবে।

3D ডিজাইন সফটওয়ার সমূহঃ Autodesk Maya, Blender, Unreal Engine 5 ইত্যাদি

৪. 2D Animation

আপনি যদি আর্ট বা অঙ্কন ভালো হয়ে থাকেন তাহলে আপনি চাইলেই 2D Animation করতে পারবেন। বিভিন্ন ধরনের ভিডিও, লোগো আনিমেশন সহ বিভিন্ন বিজ্ঞাপনও তৈরি করতে পারবেন। এই কাজ গুলোর চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আপনি চাইলেই 2D Animation বা 3D Animation ভিডিং তৈরি করে ফেসবুক, ইউটিউব এবং অন্যন্যা সোসাইল মিডিয়ার মাধ্যমে অর্থ উপাজন করতে পারেন। এইটি বর্তমানে অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে যে, অনেক ইউটিউবারই মোশন ভিডিও আপলোড করে থাকে। তাদের সোসাইল প্রতিক্রিয়া বেশ ভালো

2D Animation করতে তেমন পাওয়ারফুল কম্পিউটার না হলেও হয়। আপনি চাইলেই খুব সহজে Intel Core i3-i5 দিয়ে কোন কম্পিউটার দিয়েই তৈরি করতে পারবেন। ফ্রেম বাই ফ্রেম করতে সুবিধা হবার জন্য যত ভালো কম্পিউটার হয় তত ভালো তাও পর আপনি চাইলেই Core i3-i5 এই রেঞ্জের কম্পিউটার দিয়ে শুরু করতে পারবেন।

2D Animation সফটওয়ার সমূহঃ Adobe Animate, Blender, Pencil2D ইত্যাদি।

৫. UX/UI Design: 

যেহেতু আমাদের এই লিষ্টে সবার প্রথমে কোডিং রাখা হয়েছে তাই আমরা আমাদের এই লিষ্টে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ সেষ্টরের কথা বলব যা হচ্ছে UX Design। আপনি আপনার মোবাইলে, কম্পিউটারের যেকোন সফটওয়ার, ওয়েবসাইট যেই ইন্টারফেস দেখেন তাই হচ্ছে UI Design বা User Interface এর ইন্টারফেস অনেক সময় উজার ফ্রেন্ডলি হয় আবার কখনও হয় না । এই যে উজার ফ্রেন্ডলি হওয়া বা না হওয়া কেই বলে User Experience বা UX।

ডিজাইনা প্রথম একটি ডিজাইন তৈরি করে। তার পর তা যাই কোডারের কাছে তারা যেই অনুযায়ী কোডিং করে যেই ইন্টারফেস তৈরি করে থাকে। UI Design কে সব সময় নতুন নতুন ভাবে সব কিছু তেরি করতে হয়। আর সব কিছুই এমন ভাবে করতে হয় যাতে ব্যবহারকারী খুব সহজেই তা ব্যবহার করতে পারে।

UI Design করতে তেমন পাওয়ারফুল কম্পিউটার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু আপনি যদি ডিজাইন সহ কোডিং করে তখন অন্য হিসাব।

UI Design সফটওয়ার সমূহ, Adobe XD, Figma ইত্যাদি।

আমরা বলছি না এই কাজ ছাড়া অন্য কোন কাজের কোন মূল্য নেয়। আমাদের দেশের প্রায় সবাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার। বেশির ভাগ মানুষ কোন প্রকার কাজের অভিগত্তা ছাড়াই মার্কেট গুলোতে চলে আসে তাদের জন্য আমাদের দেশের এক প্রকার দুর্নাম হচ্ছে। সাথে আমাদের দেশে যারা দক্ষ তারা ও ক্ষতি সমুখিন হচ্ছে।

তাই এমন কাজ শিক্ষা উচিত্র যা আপনি খুব সহজেই করতে পারবেন।

খুব সহজে শিক্ষা যায় যেই সব কাজ

উপরের কাজ গুলো বাদেও আপনি আরো কিছু কাজ আছে যা খুব সহজেই শিখতে পারেন। আমাদের মধ্যে এমনই অনেকই আছে যারা লম্বা সময় কোর্স করতে পারবেন না। যেমন কোডিং শিখতে আপনার প্রায় অনেক সময় ব্যয় করতে হবে। আবার কিছু কাজ আছে যা আপনি খুব সহজেই শিখতে পারবেন কিছু অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করতে কিছু সময় এই কাজের প্রতি ব্যয় করতেই হবেই।

অভিজ্ঞতা ছাড়া আপনি কোন ভাবাই ভালো কাজ করতে পারবেন না। অভিজ্ঞতার জন্য নিজে নিজে বা কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্টানের হয়ে কিছু দিন কাজ করলেই অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে।

WordPress Design: 

বর্তমানের ওয়েবসাইট দুনিয়ার অনেক বেশি জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হচ্ছে Wordpress ডিজাইন, মেন্টেনেস করা জন্য একজন দক্ষ কারিগর প্রায় প্রতিটা প্রতিষ্টান খুজে থাকে বা কর্মী রাখে।

Wordpress ডিজাইন করা আপনার শিক্ষতে বেশি সময় না লাগলেও এই কাজের প্রতি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে অনেক বেশি সময় লেগে যাবে। আর যত বেশি সময় দিতে পারবেন যে কাজে সেই কাজের রেজাল্ট অনেক বেশি ভালো হবে।

Wordpress ডিজাইন করতে আপনার তেমন ভালো কম্পিউটারের প্রয়োজনও নেয় । খুবি কম পাওয়ারফুল কম্পিউটার দিয়েই সাইট ডিজাইন করতে পারবেন।

Content Writing: 

এই কাজের জন্য আপনার ইংলিশ ভাষার উপর বেশ একটি ভালো মানের দক্ষতা থাকতে হবে। আপনি যদি ইংলিশ ভাষায় ভালো হয়ে থাকেন তাহলে বিভিন্ন সাইট থেকে তাদের লেখার ধরন পড়তে পড়তে ভালো একটি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। ইংলিশ ভাষার উপর দক্ষতা প্রায় সব সেক্টরেই ফ্রীলান্সারদেরই লাগে। তাই সবাই এই ভাষার উপর দক্ষতা অর্জন করা উচিত্র।

আপনি চাইলেই বিভিন্ন CV, Resume, Case Studies writing, Essay writing, Ads Scripts ইত্যাদি লেখেও ভালো পরিমান অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

Search Engine Optimization (SEO): 

এইটিও বর্তমানের অনেক বেশি চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সব ধরনের ব্যবসায় বর্তমানে অনলাইন কেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সময় প্রায় সব ধরনের বড় বড় কোম্পানি তাদের একটি সেক্টর রাখে SEO উপর। তার উপর বিভিন ই-কমার্স সাইট গুলোও অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে যাওয়ার কারনে এই সেক্টরের এত বেশি চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

SEO করতে আপনার তেমন পাওয়ারফুল কম্পিউটারের কোন প্রয়োজনই নেয়। আপনি চাইলেই আপনার যেই রকম কম্পিউটার রয়েছে যেটাই কাজ করতে পারবেন। কিন্তু এই কাজটা শিক্ষাটা সহজ হলেও প্রতি নিয়ত সার্চ ইঞ্জিনের অবস্তা সম্পর্কে ধারনা রাখতে হয়। টেন্ডিং ফলো করতে হয়। প্রচুর সময় ব্যয় করতে হয় ।

Social Media Marketing/সোসাইল মিডিয়া মার্কেটিংঃ 

এইটির চাহিদাও প্রতি নিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি নিয়তই সোসাইল মিডিয়ার জনপ্রিয়তার বৃদ্ধির কারনে ব্যবসায় প্রতিষ্টান গুলো তাদের প্রোডার্ক বা সার্ভিস গুলো প্রচারের জন্য সোসাইল মিডিযার ব্যবহার করছে এবং তাদের কাষ্টমার সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এই কাজের চাহিদা আছে।

ব্যবসায় প্রতিষ্টান গুলো কোন দক্ষ লোক দ্বাড়া এই প্রচার চালিয়ে থাকে। তাই আপনি যদি দক্ষ হতে পারেন তাহলে ভালো কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

ভয়েস অভারঃ 

আপনার যদি গলার ভয়েস ভালো হয়ে থাকে তাহলে আপনি বিভিন্ন ধরনের ভিডিও তে ভয়েস আর্টিষ্ট হিসেবেও কাজ করতে পারেন। এই জন্য আপনার প্রয়োজন হতে পারে যে ভাষায় ভয়েস রেকড করবে যেই ভাষার উচ্চারনের উপর অনেক বেশি দক্ষতা আর তা সাথে লাগতে পারে, ভয়েস রেকড করার জন্য ভালো মানের মাইক বা রেকডার। ভয়েস অভারের কাজ আপনি ফাইভারেই দেখতে পারবেন একটি অপশন দিয়া আছে। আবার চাইলেই লোকাল ইউটোব ভিডিও গুলোতে ভয়েস আর্টিষ্ট হিসেবেও কাজ করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে ওই সব ইউটোব চ্যানেলের মালিকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। আবার অনেক সময় তারাও বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে তখন যোগাযোগ করতে পারেন।

Conclusions

আমাদের এই পোষ্টের মূল্য উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনাকে একটি ধারনা দিয়া ফ্রীলান্সার সম্পর্কে। ফ্রিলান্সিং করতে অনেক বেশি সহনশীলতা, কাজের প্রতি ভালোবাসা, কঠোর পরিশ্রম হতে হয়। আজকে শিক্ষলেন আর কালকেই কাজে লেগে গেলেন তাহলে হবে না। আমরা এইটা বলছি না হয় না। অনেকের খুব সহজেই কাজ পেয়ে যায় অনেকই আবার বছরের পর বছর বসে থেকেও কাজ পায় না।

কাজ প্রতি দক্ষতা বৃদ্ধি করতে থাকতে হবে। যত বেশি দক্ষ হবে কাজ তত সহজেই পেয়ে যাবেন । কাজের উপর দক্ষতা সাথে সাথে আপনার কাজ সঠিক মানুষের কাছে পৌছানোর কৌশল জানতে হবে। আপনি যে দক্ষ তা কেউ কিভাবে বুঝবে যদি আপনি কোন ব্যবস্থায় না রাখেন।